Sim Bonus Offer

Sim Bonus Offer

Share

Bangladeshi All Mobile New Sim Offer Price Update Call Rates Grameenphone Banglalink Airtel BD Teletalk Robi.

Bangladeshi All Mobile New Sim Offer Price Update Call Rates Grameenphone Banglalink Airtel Bd Teletalk Robi

05/08/2026

ড. ইউনূস বিদায় নিয়েছেন ৫ মাস আগে। বিদায় নেয়ার সময় তিনি দেশের রিজার্ভ রেখে গিয়েছিলেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ছয় মাসের মজুদকৃত খাদ্যও রেখে গিয়েছিলেন।
অথচ ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৯ বিলিয়ন ডলার। দেশটা নেতিয়ে পড়া দুর্বা ঘাসের মতো বিধ্বস্ত ছিল।
ইউনূস সরকার সেই বিধ্বস্ত দেশের রিজার্ভটাকে টেনে তুলতে চেয়েছিলেন। টানতে টানতে সেই রিজার্ভ নিয়ে এসেছিলেন ৩৩ বিলিয়নে।
তিনি রিজার্ভ বাড়িয়েছিলেন ১৪ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১,৬৮০,০০০,০০০,০০০ টাকা। সংখ্যাটা কত বিশাল তাই না?
এই বিশাল অঙ্কের রিজার্ভ তার সরকার মিলে বাড়িয়েছিল মাত্র দেড় বছরে। আই রিপিট মাত্র দেড় বছরে!
এই রিজার্ভ আরও বাড়াতে পারতেন। কিন্তু পারেননি কারণ হাসিনার রেখে যাওয়া ২১,০০,০০০,০০,০০,০০০
টাকার ঋণও দিতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।
এই সংখ্যাটাও পড়তে কষ্ট হচ্ছে তাই না? এত বিশাল অঙ্কের ঋণও ইউনূস সরকার পরিশোধ করেছেন মাত্র দেড় বছরেই।
হাসিনা আগে বাইরের দেশ থেকে ঋণ আনতো তারপর তার এমপি-মন্ত্রীরা সেই রিজার্ভ নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে বিদেশে আলিশান বাড়ি করতো, গাড়ি কিনতো।
সেই ঋণের বোঝা অসহায়ের মতো টানতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।
পাশাপাশি জনগণের ভালো করতে গিয়ে, দ্রব্যমূল্যের দাম কমাতে গিয়ে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকিও দিতে হয়েছে।
ইউনূস সরকার চেয়েছিলেন দেশের সাধারণ মানুষগুলো, খেটে খাওয়া লোকগুলো একটু ভালোমন্দ খেতে পারুক। তাই রোজার মধ্যে জিনিসপত্রের দাম যাতে না বাড়ে সেই ব্যবস্থা করেছিলেন।
শুধু রোজাতেই না, গত দেড়টা বছর তীক্ষ্ণ নজর রেখেছিলেন কোন চাঁদাবাজ যাতে দাম বাড়াতে না পারে।তাছাড়া সবসময় কারেন্ট দেয়ার চেষ্টা করতো, গ্যাস দিতো, স্বস্তি দিতো।
ইউনূস সরকার জনগণকে ২ টা সুন্দর ঈদও উপহার দিয়েছিলেন। সেই দুই ঈদে মানুষ কম দামে ব্যাগভর্গি বাজার করেছিল, হাসিমুখে বাঁচতে শিখেছিল।
সবাই খুশিতে বলেছিল- স্যার, আরও ৫ টা বছর থাকেন।
বিএনপির লোকেরা এই কথাটাকেই ধরে নিয়েছিল ইউনূস সরকার নির্বাচন দিবে না। তারপর কথায় কথায় ইউনূসকে গালি দিতো, আন্দোলন করতো।
ইউনূস সরকারের মাত্র দেড় বছরেই ১২৩৭ টার মতো আন্দোলন হয়েছে ,ভয়াবহ বন্যা হয়েছে, বিমান দূর্ঘটনা হয়েছে, আরও কতশত অযাচিত ঘটনা ঘটেছে।
তারমধ্যে সেনাপ্রধান কমান্ড চেইন মানেনি ,পুলিশরা নিরাপত্তা দিতে পারেনি, বিএনপি কথা শুনেনি, হাসিনার রয়ে যাওয়া আমলারাও কাজ করেনি।
এতসব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়েও ড. ইউনূস দেশটাকে গুছিয়ে দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। বিডিআর হ*ত্যাকান্ডের মামলাটাও নতুন করে তদন্ত করা শুরু করেছিলেন।
তারপর শিরদাঁড়া উঁচু করে ভারতের কাছ থেকে তুলা আনা বাদ দিয়েছিলেন, আমেরিকার শূল্ক কমিয়েছিলেন, জাপানে ১১০০ পণ্যের শূল্ক ছাড়াই রপ্তানি করার পথটা তৈরি করে দিয়ে গেছেন।
আর সবশেষে নির্বাচনটা দিয়েছিলেন।
অথচ আজকে নির্বাচনের পর ইউনূসের গুছানো জিনিসগুলোও বিএনপি সরকার নষ্ট করে ফেলেছে। ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে দেশের রিজার্ভ ধ্বংস করে ফেলতেছে।
মানুষের বাসায় গ্যাস নাই, বিদ্যুৎ নাই, পানি নাই। জিনিসপত্রের দামও আকাশচুম্বী।
এসবের প্রতিবাদ করার সুযোগও নাই। প্রতিবাদ করলেই বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে পোস্ট করে হুমকি পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে।
সন্ত্রাসীরা আগে অপরাধ করতো গোপনে। অথচ এখন ওপেনেই খু*নখারাপি চলে, চাঁদাবাজি চলে, টেন্ডারবাজি চলে। বিদ্যুৎ বিলের নাম করে গরিব জনগণের পকেট কাটা চলে।
আগে বলা হতো নির্বাচিত সরকার আসলেই সব ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু কিচ্ছু ঠিক হয় নাই। জনগণ উল্টো অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।
অথচ জনগণরা নির্বাচিত সরকারের কাছে কোন টাকাপয়সা চায় নাই, বাড়ি গাড়ি চায় নাই। খেয়ে পড়ে একটু বাঁচতে চেয়েছিল শুধু।
ইউনূস সরকার চেয়েছিল দেশের সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, সচিব, জনগণরা মিলে দেশটাকে সংস্কার করবে আর ড. ইউনূস জনপ্রিয়তা দিয়ে বাইরের দেশ থেকে বিনিয়োগ আনবেন, বাইরের দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবেন।
কিন্তু বাইরের দেশের সফরে গেলেই দেখা যেত দেশে কোন্দল লেগে গেছে, আন্দোলন হচ্ছে, চাঁদাবাজি করছে, লোকজন খু*ন হচ্ছে। বাহিনীরাও নেতাদের প্রভাবে হার্ড লাইনে যেতে পারেনি।
এতসব অস্থিতিশীলর ভীড়ে ইউনূস সরকার তার মনমতো কাজ করার সুযোগ পান নাই, নিজের দক্ষতাগুলোও দেখাতে পারেন নাই।
তিনি চেয়েছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশের মতো হয়ে যাওয়া বাংলাদেশটাকে একটু ঠিকঠাক করতে। কিন্তু দিনশেষে একরাশ কষ্ট আর আফসোস নিয়েই ফিরে গেছেন পুরনো ঠিকানায়।
তার বিরুদ্ধে হয়তো হাজারটা অভিযোগ আছে, সমালোচনা আছে কিন্তু তার চলে যাওয়াতে আমাদের আক্ষেপ করারও আছে।
নিজেদের মা*রামারি আর অসভ্যতামির কারণে একটা লোককে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারিনি আমরা।
এখন তাকে তেমন কিছু মনে হচ্ছে না, হয়তো হবেও না।
কিন্তু কোন একদিন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দামের কারণে আমরা যখন তিলে তিলে কষ্ট পেয়ে মরব তখন মনে পড়বে আমাদের একজন ড. ইউনূস ছিলেন

23/07/2026

আমার মাথায় বেশ কিছুদিন ধরেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল যে,

হঠাৎ করে পৃথিবীর বড় বড় শক্তিশালী দেশগুলো কেন এত তড়িঘড়ি করে নিজেদের ভল্টে সোনা জমাচ্ছে? ইউটিউবে এই ভিডিওটা দেখার পর সেই ধোঁয়াশা একেবারে কেটে গেল। আমি বুঝতে পারলাম আমরা এমন একটা ঐতিহাসিক সময়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছি, যা হয়তো গত পঞ্চাশ বছরে কেউ দেখেনি। আপনারা যারা আমার লেখা নিয়মিত পড়েন, তারা জানেন যে, আমি ভাসা ভাসা কথায় বিশ্বাস করি না। আমি ঘটনার একেবারে শেকড়ে যেতে পছন্দ করি। আর তাই আজ আপনাদের এমন এক অজানা বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করাব, যা শোনার পর প্রতিদিনের চেনা পৃথিবীটাকে আর আগের মতো মনে হবে না।

সো চলুন, আমার এই উপলব্ধিটা আপনাদের সাথেও শেয়ার করি।

গত এক মাস আগে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ একটি ব্যাংক চীনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ চায়না হঠাৎ করে একটি বড় ঘোষণা দেয়। তারা জানায় যে সাধারণ মানুষের জন্য কাগজের সোনার লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এবং এই নিয়মটি আগামী ছাব্বিশ সালের চব্বিশে জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে। চমকে ওঠার মতো বিষয় হলো শুধু এই একটি ব্যাংকই নয়। পোস্টাল সেভিংস ব্যাংক অফ চায়না এবং পিংআন ব্যাংকও একই পথে হেঁটেছে। এরপর একে একে বিশ্বের বড় বড় অনেক ব্যাংক একই সময়ে তাদের কাগজের সোনার লেনদেন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এখন এই ব্যাংকগুলোর তরফ থেকে সাধারণ মানুষকে বলা হচ্ছে যে, সোনার দামের মারাত্মক ওঠা-নামা থেকে তাদেরকে সুরক্ষিত রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ গত জানুয়ারিতে সোনার দাম আকাশছোঁয়ার পর হঠাৎ করেই প্রায় তিরিশ শতাংশ কমে যায় এবং এতে অনেকেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ব্যাংকগুলো বলছে, তারা শুধু সাধারণ মানুষকে বাঁচাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এই ব্যাখ্যাটা শুনতে বেশ ভালো লাগলেও আমি মোটেও এটা বিশ্বাস করতে পারছি না। আমার কাছে মনে হচ্ছে চব্বিশে জুলাই হলো সেই দিন, যেদিন চীন আসলে পুরো পৃথিবীকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে, সোনার আসল দাম ঠিক কতটা। এবং আমি নিশ্চিত প্রতিদিন স্ক্রিনে আমরা যে দামটা দেখি সেটা কোনোভাবেই বাস্তব নয়।

এই পুরো বিষয়টা পরিষ্কারভাবে বুঝতে হলে, আমাদের একটু অতীতে ফিরে যেতে হবে।

সালটা উনিশশো আটষট্টি। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের ভেতরের একটা নির্দিষ্ট ঘরের কথা ভাবুন। সেই ঘরের মেঝের ওপর এত বেশি সোনা রাখা হয়েছিল যে, সোনার ভার সইতে না পেরে মেঝেটা আক্ষরিক অর্থেই ধসে পড়েছিল। এই ঘটনাটা কোনো রূপকথার গল্প নয়। এটি একদম বাস্তব। ওই ঘরে মূলত সোনা মাপা হতো। মেঝেটা কিন্তু পুরোনো হওয়ার কারণে বা অযত্নের কারণে ভেঙে পড়েনি। ভেঙে পড়ার একমাত্র কারণ ছিল, ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি সোনা সেখানে স্তূপ করে রাখা। ওই সময়টায় আমেরিকা তাদের ফোর্ট নক্স থেকে সামরিক বিমানে করে টন টন সোনা লন্ডনে পাঠাচ্ছিল। তারা এত দ্রুত সোনা পাঠাচ্ছিল যে, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের কর্মীরা সেগুলো মেপে শেষ করতে পারছিল না। সোনা জমতে জমতে এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছায় যে কংক্রিটের মেঝে সেই ভার নিতে ব্যর্থ হয়।

এখন আপনার মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে আমেরিকা কেন নিজেদের ভল্ট খালি করে সব সোনা লন্ডনে পাঠাচ্ছিল। এর কারণ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সরকারগুলো মিলে এমন একটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যা তারা আর রাখতে পারছিল না এবং সারা পৃথিবীর মানুষ একই সাথে সেই সত্যটা জেনে ফেলেছিল।

উনিশশো আটষট্টির ওই ভয়াবহ পরিস্থিতি বুঝতে হলে আপনাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের একটা বিশেষ চুক্তির কথা জানতে হবে। যুদ্ধের পর বিশ্বের দেশগুলো মিলে একটা সহজ নিয়ম ঠিক করেছিল। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে এখন থেকে আন্তর্জাতিক সব ধরনের কেনাকাটা এবং আদান-প্রদান আমেরিকান ডলারে হবে। ডলারের ওপর যেন সবার চোখ বন্ধ করা বিশ্বাস থাকে সেটা নিশ্চিত করতে আমেরিকা একটা বড় গ্যারান্টি দিল।

তারা বলল যে, কোনো দেশের সরকার যদি ডলার জমা দেয় তবে তারা প্রতি আউন্স সোনার জন্য পঁয়ত্রিশ ডলার হিসেবে সোনা ফেরত পাবে। পঁয়ত্রিশ ডলারে এক আউন্স সোনা এবং এই নিয়মটা চিরকালের জন্য। আমেরিকার এই কথার মানে ছিল কারো কাছে ডলার থাকা মানেই তার কাছে সোনা থাকা। ফলে সারা বিশ্ব নিশ্চিন্তে ডলার জমা করতে শুরু করল।

কিন্তু সমস্যাটা শুরু হলো পঞ্চাশ এবং ষাটের দশকে।

আমেরিকা তখন বিভিন্ন যুদ্ধে জড়াতে শুরু করেছে। তারা সমাজকল্যাণমূলক অনেক কাজ করছিল এবং নিজেদের বিশ্বের সবচেয়ে পরাক্রমশালী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পানির মতো টাকা খরচ করছিল। যখন কোনো দেশের সরকারের কাছে যা টাকা আছে তার চেয়ে বেশি খরচ করতে শুরু করে তখন তাদের বাধ্য হয়ে নতুন টাকা ছাপাতে হয়। আমেরিকার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটলো। কিন্তু এখানেই লুকিয়ে ছিল সবচেয়ে বড় ফাঁকিটা। পৃথিবীতে ডলারের সংখ্যা পাগলের মতো বাড়ছিল, কিন্তু আমেরিকার ভল্টে সোনার পরিমাণ একটুও বাড়েনি।

এখন আপনি নিজেই সাধারণ একটা হিসাব কষুন। যেকোনো বিদেশি সরকার ঠিক এই হিসাবটাই করেছিল। যদি পৃথিবীতে ডলারের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যায়, কিন্তু আমেরিকার ভল্টে সোনার পরিমাণ একই থাকে, তবে প্রতিটি ডলারের বিপরীতে প্রতিশ্রুত সোনার পরিমাণ আসলে অর্ধেক হয়ে যায়। যদিও কাগজে কলমে তখনো লেখা ছিল পঁয়ত্রিশ ডলারে এক আউন্স সোনা। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি দেখে সবাই বুঝতে পারছিল যে, সোনার আসল দাম এর চেয়ে অনেক বেশি। এই অবস্থায় আপনি কী করতেন? আপনি নিশ্চয়ই আপনার জমানো ডলারগুলো দিয়ে দ্রুত কম দামে সোনা কিনে নিতেন এবং হাসিমুখে ফিরে আসতেন।

ঠিক এই কাজটাই সারা পৃথিবীর দেশগুলো করতে শুরু করল।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা এবং তাদের সাতটি ইউরোপীয় বন্ধু দেশ মিলে উনিশশো একষট্টি সালে সোনার দাম ধরে রাখার একটা চেষ্টা চালাল। তারা একটা জোট তৈরি করল। এর কাজ করার ধরনটা ছিল খুব সহজ। যখনই কেউ বেশি দাম দিয়ে সোনা কিনতে চাইত, আর দাম পঁয়ত্রিশ ডলারের ওপরে চলে যাওয়ার উপক্রম হতো তখনই এই আটটি দেশের সরকার নিজেদের জমানো সোনা বাজারে ছেড়ে দিত। যাতে সোনার জোগান বেড়ে যায় এবং দাম আবার পঁয়ত্রিশ ডলারে নেমে আসে।

একবার গভীরভাবে ভেবে দেখুন, তারা কিন্তু নিজেদের ইচ্ছেতে সোনা বিক্রি করছিল না। তারা তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটা শুধুমাত্র এই কারণে বিক্রি করছিল, যাতে তাদের ছাপানো কাগজের টাকার মান ঠিক থাকে।

কয়েক বছর এই কৌশলটা বেশ ভালোভাবেই কাজ করল। কিন্তু তারপর ফ্রান্স সত্যিকারের হিসাবটা বুঝতে পারল। তারা খুব নীরবে এই জোট থেকে বেরিয়ে গেল এবং নিজেদের ডলারের বদলে সরাসরি সোনা বুঝে নিতে শুরু করল। ফ্রান্সকে দেখে অন্যান্য দেশগুলোও একই কাজ করতে লাগল। মুহূর্তের মধ্যে শুরু হলো সোনার জন্য এক বিশাল হুড়োহুড়ি। সোনা শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই সবাই কাগজের টাকার বদলে আসল জিনিসটা নিজের ভল্টে ভরতে মরিয়া হয়ে উঠল।

পরিস্থিতি কত দ্রুত হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল তা একটা পরিসংখ্যান দিলেই বুঝতে পারবেন। স্বাভাবিক সময়ে দাম ঠিক রাখার জন্য ওই জোট সপ্তাহে প্রায় পাঁচ টন সোনা বিক্রি করত। কিন্তু আটষট্টি সালের আটই মার্চ তারা একদিনেই একশো টন সোনা বিক্রি করতে বাধ্য হয়। শেষ সপ্তাহটাতে সোনার দাম দাবিয়ে রাখার জন্য তারা প্রায় এক হাজার টন সোনা খুইয়ে বসে। ঠিক ওই সপ্তাহেই সোনা মাপার ঘরের মেঝেটা ধসে পড়েছিল। চোদ্দই মার্চ সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন বাধ্য হয়ে লন্ডনকে অনুরোধ করে যেন তারা সোনার বাজার পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।

এরপর একটা জরুরি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ছুটি শেষে সরকারগুলো এসে জানাল যে তারা হার মেনেছে। সেই দিন থেকে সোনার দুটো দাম তৈরি হলো। একটা হলো সরকারি দাম যেটা শুধু সরকারগুলো নিজেদের মধ্যে ব্যবহার করত। আর একটা হলো আসল দাম যেটা সাধারণ মানুষ আসল সোনা কেনার সময় দিত। সেই আসল দামটা তাৎক্ষণিকভাবে চল্লিশ ডলার পার হয়ে গেল এবং তারপর শুধু বাড়তেই থাকল। তিন বছর পর একাত্তর সালের আগস্টে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডলারের বদলে সোনা দেওয়ার এই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাতিল করে দেন। এবং তার ঠিক দশ বছরের মধ্যে সোনার দাম আটশো পঞ্চাশ ডলারে গিয়ে ঠেকে।

এই পুরো ঘটনাটা মাথায় গেঁথে নিন। কাগজের দাম ধরে রাখার জন্য নিজেদের সম্পদ বিক্রি করা তারপর আসল জিনিসের চাহিদার কাছে হার মানা এবং শেষে গিয়ে পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তন হওয়া। কারণ আজ আমরা ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আর এবার এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়।

এবার আসি চীনের ওই ব্যাংকগুলোর কথায়। তারা আসলে কী করছে সেটা বুঝতে হলে আপনাকে জানতে হবে এই কাগজের সোনা জিনিসটা আসলে কী। আমি খুব সহজে বুঝিয়ে বলছি। আজ যখন বেশিরভাগ মানুষ সোনা কেনে তখন আসলে কোনো সোনাই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায় না। যেটা হয় তা হলো কোনো একটা প্রতিষ্ঠান আপনাকে একটা চুক্তিপত্র দেয়। ওই কাগজে লেখা থাকে যে আপনি এক আউন্স সোনার মালিক এবং আপনি চাইলে যেকোনো সময় ওই দিনের দামে কাগজটা ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারবেন। আপনার কেনা সেই আসল সোনাটা অন্য কারো ভল্টে খুব নিরাপদে রাখা আছে বলে আপনাকে বিশ্বাস করানো হয়।

সত্যি বলতে বেশিরভাগ ক্রেতা কখনোই আসল সোনাটা হাতে নিতে চায় না। তারা সেটা নিজ দায়িত্বে রাখা পাহারা দেওয়া বা পরিবহন করার ঝামেলায় যেতে চায় না। তারা শুধু চায় দাম বাড়ুক যাতে তারা কেনা দামের চেয়ে বেশি দামে কাগজটা বিক্রি করে লাভ করতে পারে। যারা এই কাগজ বিক্রি করছে তারাও এই সাইকোলজিটা খুব ভালো করে জানে। আর এই একটা মাত্র বিষয় পুরো খেলাটাকে বদলে দেয়। কারণ কাগজ বিক্রেতারা জানে যে কেউ কখনো আসল জিনিসটা নিতে আসবে না। তাই তাদের কাছে যতটুকু সোনা আছে, তারা তার চেয়ে অনেক বেশি কাগজ বিক্রি করে।

একই সোনার বিপরীতে তারা দশবার এমনকি তার চেয়েও বেশিবার মালিকানা বিক্রি করতে পারে। কেউ তাদের আটকায় না কারণ এই ফাঁকিটা ধরা পড়ার একটাই রাস্তা আছে। যদি সবাই একই দিনে নিজেদের সোনা বুঝে নিতে চলে আসে। আর যেহেতু সবাই একসাথে আসে না তাই এই খেলা চলতেই থাকে।

এখন সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটা হলো, এই ব্যবস্থার কারণে দামের ওপর কী প্রভাব পড়ছে?

যেকোনো জিনিসের দাম নির্ভর করে বাজারে তার জোগান আর চাহিদার ওপর। কিন্তু সোনার বাজারে জোগানদাতা আসল সোনা নয় বরং এই কাগজের চুক্তিগুলো। যদি একটা আসল সোনার বিপরীতে দশটা কাগজের চুক্তি থাকে তবে বাজার মনে করে যে বাস্তবে দশগুণ বেশি সোনা আছে। আর জোগান বেশি থাকার মানেই হলো দাম কমে যাওয়া।

প্রতিটা অতিরিক্ত চুক্তি সোনার দামকে এমন একটা স্তরে নামিয়ে আনে যা বাস্তবের চেয়ে অনেক কম। লন্ডন আর নিউইয়র্কে যেখানে পুরো পৃথিবীর সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় সেখানে প্রতিদিন ঠিক এই কাজটাই চলে। কাগুজে চুক্তির লেনদেন হয় কিন্তু আসল জিনিসটা জায়গা থেকে এক চুলও নড়ে না। পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিসের দাম এমন একটা জায়গা থেকে ঠিক করা হচ্ছে যেখানে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না যে, তাদের কাছে আসলেও কতটুকু জিনিস মজুত আছে। আটষট্টি সালের সেই একই পরিস্থিতির ছায়া এখানে স্পষ্ট। কাগজে কলমে একটা সরকারি দাম আর ভল্টের ভেতরের বাস্তবতা সম্পূর্ণ আলাদা।

এখন আপনার মনে হতে পারে যে, আমি হয়তো শুধু তত্ত্বকথা বলছি। যদি কাগজের সোনার দাম বাস্তবের চেয়ে কমই হয়, তবে আমরা সেটা বুঝব কীভাবে। লন্ডনের প্রতিটি ভল্টে গিয়ে গিয়ে তো আর সোনা গোনা সম্ভব নয়। একদম ঠিক। আমরা সেটা পারব না। কিন্তু দুটো খুব সহজ পরীক্ষা আছে, যা দিয়ে আমরা সত্যটা যাচাই করতে পারি।

প্রথম পরীক্ষাটা হলো দুটো ভিন্ন দামের দিকে নজর রাখা। যখন একটা ব্যবস্থা সৎ থাকে তখন আসল জিনিস আর তার কাগজের চুক্তির দাম একই হয়। কিন্তু যখন বিশ্বাস ভাঙতে শুরু করে, তখন মানুষ আসল জিনিসের জন্য বেশি দাম দিতে কুণ্ঠাবোধ করে না। যেমন গত জানুয়ারিতে আসল রুপার দাম কাগজের রুপার দামের চেয়ে প্রায় চল্লিশ শতাংশ বেশি ছিল। একই দিনে একই জিনিসের দুই রকম দাম। সোনার ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটা এখনো খুব বেশি চোখে পড়ার মতো নয়। কিন্তু ওই যে আটষট্টি সালের কথা মনে করুন। পতনের আগের সপ্তাহ পর্যন্ত কোনো পার্থক্য ছিল না।

দ্বিতীয় পরীক্ষাটা আরও শক্তিশালী। কে কী বলছে সেদিকে কান না দিয়ে তারা বাস্তবে কী করছে সেদিকে নজর দিন। আপনি যদি কোনো দেশের একটা বড় ব্যাংকের দায়িত্বে থাকতেন আর আপনি জানতেন যে কাগজের দামটা ভুয়া এবং আসল দামটা অনেক বেশি তবে আপনি কী করতেন? আপনি খুব নীরবে কাগজের প্রতিশ্রুতিগুলো বিক্রি করে দিতেন আর আসল জিনিসটা কিনে ভল্টে জমাতেন। ঠিক এই কাজটাই কি এখন কেউ করছে? হিসাব বলছে এই বছরের প্রথম তিন মাসে বড় বড় দেশের সরকারি ব্যাংকগুলো দুইশো চুয়াল্লিশ টন সোনা কিনেছে। ইতিহাসের যেকোনো বছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় এটা সর্বোচ্চ পরিমাণ কেনাকাটা। শুধু তাই নয় একটা গবেষণা বলছে, এই কেনাকাটার একটা বড় অংশ কখনোই প্রকাশ্যে জানানো হয় না। চুপিসারে কেনা হয়।

আর এই সোনা কেনার টাকা তারা কোথা থেকে পাচ্ছে, জানেন? তারা তাদের কাছে জমানো আমেরিকার সরকারি চুক্তিপত্রগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশের কাগজের প্রতিশ্রুতির ওপর থেকে তাদের বিশ্বাস উঠে গেছে। এখন সরকারি ব্যাংকগুলোর কাছে আমেরিকার ডলারের চেয়ে সোনার মজুত বেশি।

এই আচরণটা খুব সহজভাবে পড়ার চেষ্টা করুন। গত পঞ্চাশ বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাগজের প্রতিশ্রুতির ওপর ভরসা করে বসেছিল তারাই আজ সবচেয়ে দ্রুত গতিতে সেগুলো বিক্রি করে আসল জিনিসটা ঘরে তুলছে। তারা কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলছে না ঠিকই, কিন্তু তাদের এই বিশাল কেনাকাটাই প্রমাণ করে যে, তারা বিশ্বাস করে বর্তমান দামটা সম্পূর্ণ কৃত্রিম এবং এর পতন অবধারিত।

এবার আসি আপনার এবং আমার প্রাত্যহিক জীবনে। সোনার দাম দাবিয়ে রাখা হচ্ছে এটা শুনলে হয়তো মনে হবে এটা শুধু যারা লেনদেন করে তাদের সমস্যা। কিন্তু না। এটা আমাদের গত পঞ্চাশ বছরের জীবনের সবচেয়ে বড় গল্প। আর এই গল্পটা আমি আপনার প্রতিদিনের বাজারের ফর্দ দিয়েই বুঝিয়ে দিতে পারব। উনিশশো ছিয়াত্তর সালে এক আউন্স সোনার দাম ছিল প্রায় একশো পঁচিশ ডলার। ওই বছরগুলোতে মানুষের জীবনযাত্রার খরচ কেমন ছিল তা একটু ডলার আর সোনার হিসেবে মিলিয়ে দেখি।

একটা নতুন বাড়ি বানাতে তখন খরচ হতো চুয়াল্লিশ হাজার ডলার। সোনার হিসেবে যা ছিল তিনশো পঁয়ত্রিশ আউন্স সোনা। একটা নতুন গাড়ির দাম ছিল পাঁচ হাজার চারশো ডলার যা সোনার হিসেবে তেতাল্লিশ আউন্স। চারজনের একটা পরিবারের এক সপ্তাহের বাজারের খরচ ছিল বাষট্টি ডলার। অর্থাৎ এক আউন্স সোনা দিয়ে দুই সপ্তাহের বাজার করা যেত। আর এক গ্যালন জ্বালানির দাম ছিল একষট্টি সেন্ট। এক আউন্স সোনা দিয়ে দুইশো গ্যালন জ্বালানি কেনা যেত।

এবার এই একই হিসাব ছাব্বিশ সালের জুলাই মাসে এসে মিলিয়ে দেখি। এখন সোনার দাম চার হাজার ডলারের বেশি। যে বাড়িটা চুয়াল্লিশ হাজার ডলারে পাওয়া যেত সেটা এখন প্রায় চার লাখ পঁচিশ হাজার ডলার। ডলারে হিসাব করলে প্রায় দশগুণ বেশি। কিন্তু সোনার হিসেবে বাড়িটার দাম এখন মাত্র একশো ছয় আউন্স। নতুন গাড়ির দাম পাঁচ হাজার চারশো থেকে বেড়ে হয়েছে পঞ্চাশ হাজার ডলার। ডলারে নয় গুণ বেশি। কিন্তু সোনার হিসেবে তেতাল্লিশ থেকে কমে বারো আউন্সে নেমে এসেছে। সপ্তাহের বাজার বাষট্টি থেকে বেড়ে তিনশো বিশ ডলার হয়েছে। পাঁচ গুণ বেশি। কিন্তু এক আউন্স সোনা দিয়ে যেখানে আগে দুই সপ্তাহের বাজার হতো এখন সেটা দিয়ে তেরো সপ্তাহের বাজার করা যায়। জ্বালানির দাম একষট্টি সেন্ট থেকে বেড়ে তিন ডলার উনআশি সেন্ট হয়েছে। আর এক আউন্স সোনা দিয়ে এখন দুইশো গ্যালনের জায়গায় এক হাজার গ্যালন জ্বালানি কেনা যায়।

হিসাবটা কি বুঝতে পারছেন। ডলারে পরিমাপ করলে সবকিছুর দাম বেড়েছে। বাড়ি গাড়ি খাবার জ্বালানি সবকিছু ছয় গুণ নয় গুণ দশ গুণ বেশি দামি হয়ে গেছে। গত পঞ্চাশ বছর ধরে নেতারা আর অর্থনীতি নিয়ে যারা কাজ করেন তারা এটাকে মুদ্রাস্ফীতি বলে চালিয়ে আসছেন। যেন জিনিসের দাম বাড়াটাই পৃথিবীর স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু সোনার হিসেবে মাপলে কোনো কিছুর দামই বাড়েনি। বরং সবকিছুর দাম কমেছে। বাড়িগুলো আগের চেয়ে বেশি দামি হয়ে যায়নি। গাড়িগুলোও বেশি দামি হয়নি। যেটা হয়েছে তা হলো কাগজের টাকার মান একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কিন্তু সোনা তার নিজের মান একটুও হারায়নি। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো এই সব হিসাব করা হয়েছে কাগজের সোনার দাম ধরে। যে দামটা আমরা জানি যে কৃত্রিমভাবে কমিয়ে রাখা হয়েছে। যদি সোনার আসল দাম আরও বেশি হয় তবে আমি এতক্ষণ যে হিসাবটা দিলাম তা বাস্তবে আরও বেশি চমকপ্রদ হবে। যারা আসল সোনা ধরে রেখেছিল তারা তাদের ক্রয়ক্ষমতা কত চমৎকারভাবে ধরে রাখতে পেরেছে তা কল্পনারও বাইরে।

আর ঠিক এই জায়গাটাতেই চীনের ব্যাংকগুলোর উদ্দেশ্য পরিষ্কার হয়ে যায়।

কেন তারা বিপুল অর্থ খরচ করে সোনার আসল দাম বের করার চেষ্টা করছে। এই মাসে চীনে যা শুরু হচ্ছে তা কোনোভাবেই সোনা নিষিদ্ধ করা নয়। চীনের নাগরিকরা চাইলে যত খুশি আসল সোনা কিনতে পারে। যা বন্ধ হতে যাচ্ছে তা হলো কাগজের চুক্তি আর মিথ্যে প্রতিশ্রুতি। এর বদলে যে ব্যবস্থাটা আসতে যাচ্ছে তার তিনটি প্রধান অংশ আছে। খুব মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করুন, কীভাবে একটার সাথে আরেকটা অংশ নিখুঁতভাবে জড়িয়ে আছে।

প্রথম অংশ হলো সাংহাই গোল্ড এক্সচেঞ্জ। এখানে লেনদেন করতে হলে আসল সোনা হাতে হাতে বুঝিয়ে দিতে হবে। কাগজের মতো দশটা ভুয়া মালিকানা বিক্রির কোনো সুযোগ এখানে নেই। কারণ আজ হোক বা কাল আসল জিনিসটা ক্রেতাকে বুঝিয়ে দিতেই হবে। এমন একটা ব্যবস্থা শুধুমাত্র দুটো জিনিসই মাপতে পারে। বাস্তবে কতটুকু জিনিস আছে আর মানুষ সেটা কতটা প্রবলভাবে চাইছে। সবকিছু আসল রেখে কোনো কিছুর সত্যিকারের দাম বের করে আনার এই প্রক্রিয়াটাই হলো আসল প্রাইস ডিসকভারি।

দ্বিতীয় অংশ হলো হংকং। চীনের নিয়মের কারণে বাইরের দেশের মানুষের পক্ষে সরাসরি সাংহাইতে এসে কেনাবেচা করা বেশ কঠিন। তাই বাইরের দেশের লেনদেনগুলো সামলানোর জন্য হংকংয়ে একটা নতুন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। পুরো পৃথিবী এখন সাংহাইয়ের সেই আসল বাস্তবসম্মত দাম অনুযায়ী হংকংয়ে কেনাবেচা করতে পারবে।

কিন্তু তৃতীয় অংশটা সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চকর। হংকং তাদের ভল্টের আকার দুইশো টন থেকে বাড়িয়ে একেবারে দুই হাজার টনের বেশি করার কাজ শুরু করেছে। দশগুণ বেশি জায়গা আগে থেকেই বানিয়ে রাখা হচ্ছে। একটু শান্ত হয়ে সংখ্যাটা নিয়ে ভাবুন। কাগজের লেনদেনের জন্য কোনো ভল্টের প্রয়োজন হয় না। চুক্তির কাগজ কোনো জায়গা দখল করে না। কেউ দুই হাজার টন জিনিস রাখার জায়গা শুধু তখনই বানায় যখন সে নিশ্চিতভাবে জানে যে সেখানে দুই হাজার টন আসল জিনিস আসতে চলেছে এবং সেটা খুব সুরক্ষিতভাবে রাখতে হবে। চীন এটা মোটেও মনে করে না যে পশ্চিমা দেশগুলোতে কাগজের লেনদেন চিরকাল এভাবেই চলতে থাকবে। বরং ভবিষ্যতে যা হতে চলেছে তারা ঠিক তার জন্যই নিজেদের প্রস্তুত করছে।

আটষট্টি সালে সোনার বাজারের ওই পতনটা ছিল একটা দুর্ঘটনা।

কেউ সেটা আগে থেকে পরিকল্পনা করেনি। কিন্তু চীন এখন যা তৈরি করেছে সেটা ঠিক একই রকম একটা ঘটনা তবে সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত। কাগজের বাজারগুলো বন্ধ করে দাও আসল জিনিসটা মানুষের হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করো আর দেখো বাস্তবের বাজারে ঠিক কী দাম উঠে আসে। অবাক করার মতো বিষয় হলো তারা কিন্তু এটা আগে থেকেই সবাইকে জানিয়েছিল। চোদ্দ সালে সাংহাই গোল্ড এক্সচেঞ্জের প্রধান খোদ লন্ডনের বুকে দাঁড়িয়ে একটা অনুষ্ঠানে খুব স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন যে সোনা পূর্বের দেশগুলোতে ব্যবহার হয় কিন্তু এর দাম ঠিক করে পশ্চিমারা। যেদিন চীন এই বাজারে প্রভাব বিস্তার করবে সেদিন পুরো বিশ্ব সোনার আসল দাম দেখতে পাবে। আজ বারো বছর পর সেই ভল্টগুলো বানানো হচ্ছে এবং আগামী চব্বিশে জুলাই থেকে সেই নতুন নিয়ম কার্যকর হতে যাচ্ছে।

তাই একেবারে শেষবারের মতো আটষট্টি সালের ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের সেই ঘরটার কথা আরেকবার ভাবুন। ওই ঘরের মানুষগুলো যে দামটা রক্ষার চেষ্টা করছিল তারা সেটা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করত। তারা এক সপ্তাহে এক হাজার টন সোনা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়েছিল শুধুমাত্র একটা ব্যবস্থাকে বাঁচিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টায়। কিন্তু মেঝের সাথে সাথে তাদের সেই প্রতিশ্রুতিও ভেঙে গুড়িয়ে গিয়েছিল।

আজও ঠিক একইভাবে পশ্চিমা দেশের ভল্টগুলো খালি করে সব জিনিস পূর্ব দিকে চলে যাচ্ছে এবং সেটা ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত গতিতে। কিন্তু একটা বড় পার্থক্য খেয়াল করুন। এবার কেউই আর ওই কাগজের দামটাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেচ্ছ না। যে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এতদিন কাগজের দাম নির্ধারণ করত আজ তারাই খুব নীরবে নিজেদের কাগজের বদলে আসল জিনিসটা ঘরে তুলছে এবং কাউকে কিছু জানাচ্ছে না। আটষট্টি সালে একটা মেঝে ধসে পড়ার পর দুনিয়া জেনেছিল আসল সত্যটা কী। কিন্তু এবার যারা বাজারের নিয়ন্ত্রক তারাই হয়তো নিজেদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেবে আসল ঘটনাটা কী।

আমি যদি আমার বিশ্লেষণে বিন্দুমাত্রও সঠিক হয়ে থাকি তবে খুব শীঘ্রই দুটো বড় ঘটনা আমাদের চোখের সামনে ঘটতে চলেছে। প্রথমত কাগজের দাম আর আসল জিনিসের দামের মধ্যে একটা বিশাল পার্থক্য তৈরি হবে, ঠিক যেমনটা আমরা জানুয়ারিতে রুপার ক্ষেত্রে দেখেছি। আর দ্বিতীয়ত বড় বড় সরকারি ব্যাংকগুলো আমেরিকান কাগজের চুক্তির বদলে আরও বেশি করে আসল সোনা নিজেদের ভল্টে জমা করতে থাকবে। আর এটা আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সাথে সরাসরি জড়িত।

ওই যে বাজারের ফর্দের হিসাবটার কথা মনে আছে তো?

Photos from Sim Bonus Offer's post 23/07/2026

১২০০ কমলা গাছ কেটে ফেলছে!

কেন কাটছে?

১০ লাখ চান্দা চাইছে ,কৃষক দেয় নাই।

কে কাটছে?

বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বড়ুয়া কইলো,

তারা নাকি সরকারি জমি উচ্ছেদ অভিযান চালাইছে!

আইন অনুযায়ী সব করছে।

আচ্ছা, বাংলাদেশে কি এমন নোংরা আইন আছে যেখানে উচ্ছেদের নামে ১২০০ ফলন্ত কমলা গাছ কেটে উচ্ছেদ অভিযান সাকসেস করতে হবে?

ভুক্তভোগী অভিযোগ করছে, প্রীতম বড়ুয়া নিজে কৃষকের বাড়িতে গিয়া বলছে,

ফল তো হইছে ,আমাদের কিছু দিবা না?

কৃষক প্রতিবছর দেয় এবার দিতে পারে নাই কারণ ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়া ফসল ফলাইছে।

ভুক্তভোগী কৃষকের স্ত্রী কইলো,

একেকজন বিসিএস ক্যাডার!

প্রধানমন্ত্রী আপনি গাছ লাগাবেন, পরিবেশ বাঁচাবেন!

আমাদের পেটে লাথি দিয়া?

আসলেই তো!

ধইরা নিলাম, সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গাছ লাগাইছে। ফলে ভরপুর গাছ! ১ মাস পরেই ফল ওঠবে।

কৃষক বাঁচতো, বাংলাদেশের মানুষ খাইতো, গাছ থেকে অক্সিজেন দিতো।

এতোগুলো গাছ, এতো লাখ টাকার কমলা হত্যা করার অধিকার কি কোন কর্মকর্তার আছে?

যদি থাকে এমন ফা**ক সিস্টেম পৃথিবীর কোথাও নাই।

হয়তো তদন্ত হবে না।

বড় বড় লাটদের বিচারও হবে না।

কৃষক পরিবারটা মরবে। ঋণের বোঝা নিয়া তিলে তিলে মরবে।

কিন্তু সিস্টেমের কোন পরিবর্তন হবে না।

ধিক্কার জানিয়ে রাখলাম!!!

Anisur Rahman

11/07/2026

ভোট মুসলমানদের, সুবিধা শুধু হিন্দুদের।
মাগুরা ২ আসনের এমপি নিতাই রায় চৌধুরী উপবৃত্তির টাকা দিয়েছে ৩২ জন শিক্ষার্থীকে।

একজন মুসলিমকেও উপবৃত্তির টাকা দেয়নি, ৩২ জনই হিন্দু ছাত্র ছাত্রী।

অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অকল্পনীয় বিস্ফোরণ ।

হিন্দু সে বিএনপি করুক আর জামায়াত করুক সে তার চরমপন্থী মুসলিম বিদ্বেষী হিন্দুত্ববাদ লুকায় না। দলান্ধ মুসলমানরা একেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে নিজেদেরই পাছায় নিজেরাই বাঁশ ঢোকানোর জন্য।

10/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ
৩ মাস জামাতে নামাজ পড়ার শাস্তির নির্দেশ দিলেন
বিচারটা কেনম হয়েছে

06/07/2026

জান্নাতুল পিয়া প্রথমত একজন শিল্পী তারপর তার পরিচয় আইনজীবি। তিনি শাওনের পাশে দাঁড়ালেন। শাওন সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মেয়ের বান্ধবী যাকে তিনি বিয়ে করেন। শাওনও একজন শিল্পী। শাওনের পাশে মাহিয়া মাহিও দাঁড়িয়েছে। যাই হোক; এখানে ফ্যাক্ট হচ্ছে জান্নাতুল শাওনের বিরুদ্ধে মবের কথা বললেন।

জান্নাতুলের এই দাবি আর শেখ হাসিনার দাবি অভিন্ন। শেখ হাসিনা শাপলায় ক্রাকডাউন করে উল্টো নিরস্ত্র হেফাজত কর্মীদের সন্ত্রাসের কথা বলেছিল। জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার উপর বুলেট ছুড়ে উল্টো মেট্রোরেলের সামনে আঁচল মুখে কান্নার অভিনয় করেছিল। কি মিলতেছে?

শাওন যখন খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঘটা বিপ্লবকে জুলাই Cdi বলে সেটা শিল্পের পর্যায়ে পড়ে যায়। সেই Cdir বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে জান্নাতুলরা মবের অভিযোগ দেয়। কি মিলেছে?

শিল্পেদের দোচাও আর্ট। শিল্পীরা ফ্যাসিবাদের পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরি করলেও সেটা আর্টসোদা। অন্যদিকে গরিব সোদা জুলাই মজলুমরা প্রতিবাদ করলেও সেটা মব। সাউয়ারা শিল্পও দোচাবে আবার রাজনীতিও দোচাবে তবুও তারা কালচারাল ফ্যাসিস্ট হবে না। কি বুঝলেন?

ন্যারেটিভের মায়রে বাপ।

@ আবদুল কাদের জিলানী

Photos from Sim Bonus Offer's post 06/07/2026

যারা লিখছেন— "আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, আপনি?"

তাদের কাছেই আমার প্রশ্ন।

আমিও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। কিন্তু ইতিহাস কি শুধু আপনার পছন্দের অংশটুকুর নাম?

একাত্তর আর জুলাই এক নয়—প্রেক্ষাপট ভিন্ন, সময় ভিন্ন। কিন্তু ইতিহাসের যেখানেই মানুষের রক্ত ঝরেছে, সেটিকে অস্বীকার করার অধিকার কারও নেই।

দল বদলালেই যদি অন্যায়ের সংজ্ঞা বদলে যায়, তাহলে সমস্যা ইতিহাসে নয়—সমস্যা আপনাদের বিবেকে।

স্বৈরাচারকে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদকে ফ্যাসিবাদ, অন্যায়কে অন্যায়, খুনকে খুন বলতে শিখুন। অপরাধীর পরিচয় দেখে নয়, অপরাধ দেখে বিচার করুন ।

ইতিহাসকে দলীয় সম্পত্তি বানাবেন না। ইতিহাস কারও একার নয়; ইতিহাস সত্যের, ইতিহাস সবার।

06/07/2026

শাহ আমানত সাব্বির ভাইয়ের মার্শাল আর্ট দরকারি না নিতান্তই ফ্যান্টাসি সেই আলাপে আমি এখন যেতে চাই না। পূর্বে এগুলো নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। আগামীতে করার সময় হলে আমরা করবো।

আপাতত এতটুকুই বলি, সন্দেহবশত কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে সর্বোচ্চ। গ্রেফতার ও রিমান্ড মঞ্জুর সুস্পষ্ট যুলুম। তাছাড়া এরা কেউই গোপন চক্রের সাথে জড়িত না। এমন প্রমাণ আজ অবধি কেউ দিতে পারেনি। প্রকাশ্যে ইসলামপন্থীরা মার্শাল আর্ট/এমএমএ করলে যদি সেটা উ'গ্রবাদিতা হয় তাহলে রাষ্ট্রীয়ভাবে এমএমএ/বক্সিং সহ যত রকমে ডিফেন্সিভ কার্যক্রম আছে সকলের জন্যই তা নিষিদ্ধ করে দিন। নয়তো এসব কাজ কেবল ইসলামপন্থীদের জন্য সন্দেহজনক হবে সেটা আমরা মানবো না। এসব আইনের দ্বিচারিতা মেনে নেয়াটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।

এই ভাইদেরকে মুক্তি দিন। শুধু শুধু যুলুমের ফিরিস্তি আর বাড়ায়েন না।

Photos from Sim Bonus Offer's post 28/06/2026

গ্রেটার হিজড়ারাইল এবং গ্রেটার রা'ম রাজ্য(অখন্ড ভারত) এই দুইটা ভৌগোলিকভাবে আলাদা জায়গায় হলেও দুইটা কনসেপ্ট একই রকম! এই দুইটা মিশন যারা বাস্তবায়ন করবে তাদেরকে সূরা মায়েদার ৮২ নাম্বার আয়াতে মুসলমানদের অধিক শত্রু বলা হয়েছে। তারা হচ্ছে ই'হু'দি এবং মু'শ'রে'ক। গ্রেটার ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যেমন ফি্'লি'স্তি'নে গণহত্যা চালানো হচ্ছে ঠিক তেমনি ভাবে গ্রেটার রাম রাজ্য বা অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠা করতে গেলে বাংলাদেশেও গণহত্যা চালাতে হবে। গত ৫ই আগস্ট থেকে এই পর্যন্ত বহুবার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোন্দল লাগিয়ে সামরিক আগ্রাসন চালানোর জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভারতের শিলিগুড়ি করিডর বা চিকেন নেকের কাছাকাছি রংপুরে রাম মন্দির এবং রাম মূর্তি স্থাপন নিয়ে মাঠে নেমেছে অখণ্ড ভারতপন্থী কিছু বাংলাদেশি ছদ্মবেশ ধারণ করি। বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন, বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় বারবার সামরিক মহড়া, মিডিয়ার ট্রাইল, এবং সবথেকে অবাক করা তথ্য হলো হিজড়ারাইলের একজন কর্মকর্তা বলতেছে বাংলাদেশে নাকি হাma'সের কার্যক্রম চলমান আছে এগুলো কোন স্বাভাবিক ঘটনা না বরং এটা বাংলাদেশে গণহত্যা চালানোর জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি মনে হচ্ছে।

27/06/2026

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে দিনে-দুপুরে বাসায় ঢুকে মা ও তিন বোনের হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদ পত্রের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা যায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের কুলাঙ্গার ঘাতক অনন্ত মজুমদার দেড় বছর আগে একই বাড়ীর পাঁচ তলায় ভাড়া থাকতেন।

হিন্দু ও বিবাহিত হবার পরেও ঘাতক অন্তর নিহত শাহিনূর আক্তারের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বড় মেয়ে
সায়মা আক্তারকে উত্যক্ত করতেন এবং বিবাহ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অন্তরের এই বেপরোয়া আচরণের পেছনে স্থানীয় কিছু আড্ডা ও মাদকের আস্তানা দায়ী ছিল।

পরবর্তীতে মাদক সেবনের অভিযোগে স্থানীয় ব্যক্তিদের চাপে অন্তরকে ভাড়া বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ঘাতক অন্তর দলবল নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সায়মার পরিবার সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করে।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অন্তর হুমকি দিয়ে বিদায় হয়।

ঘটনার দিন সকালে পানির মিস্ত্রি সেজে কৌশলে বাসায় প্রবেশ করে অন্তর।
ভেতরে ঢুকেই সে ধারালো অস্ত্র নিয়ে সায়মার ওপর চড়াও হয়।

মেয়েকে বাঁচাতে মা এবং অন্য দুই বোন এগিয়ে আসলে মদ্যপ অন্তর সবাইকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

ঘটনাস্থলেই মা ও দুই মেয়ে প্রাণ হারান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মেজো বোন ইকরা।

এই ঘটনার সারাংশ হলো ঘাতকের কোন ধর্ম থাকে না।
তারপরও বলতে হয় ভারতের এক শ্রেণী হিন্দু আর বাংলাদেশের ভারতের দালাল হিন্দু প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের যে গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুন্ন করছে, তাদের গুজবের মুখে ছাই দিয়ে হিন্দু ঘাতক অন্তর প্রমাণ করেছে,বাংলাদেশে হিন্দুরা মোটেও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না।

বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যদি নির্যাতনের শিকার হতেন, তাহলে অন্তরের মতো একজন ঘাতক হিন্দুর পক্ষে কখনোই একটি মুসলমান পরিবারের মেয়ের উপর কুনজর দেওয়ার সাহস হতো না,ঘাতক অন্তর কখনোই প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে মুসলমান পরিবারের উপর আক্রমণ করে মা সহ তিন মেয়েকে হত্যার সাহস পেত না।

বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে আমি মনে করি, যে বা যারা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের গুজব ছড়াচ্ছে এরা ব্যক্তি /গোষ্ঠী স্বার্থে গুজব ছড়াচ্ছে।
যা বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ মাত্র।

সনজীত কুমার দে।
বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক।

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Gandaria?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Gandaria