Savar Land survey.com

Savar Land survey.com

Share

জমি সংক্রান্ত যাবতীয় সহায়তা প্রদান করা হয়।

16/04/2026

অন্য জমি দখল করার দিন শেষ! বাংলাদেশে চালু হলো নতুন ভূমি আইন: "দলিল যার, জমি তার!" 🏡⚖️🇧🇩

আপনার কেনা বা পৈতৃক জমি কি কেউ জোর করে দখল করে রেখেছে? বছরের পর বছর কোর্টের বারান্দায় ঘুরেও বিচার পাননি? এবার আপনার চোখের পানি মুছতে কার্যকর হলো 'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩'।

নতুন আইনে আপনার জন্য কী কী জাদুকরী সুবিধা থাকছে?
✅ ডিসি উদ্ধার করে দেবেন জমি: এখন আর কোর্টে বছরের পর বছর ঘুরতে হবে না। বৈধ দলিল থাকলে সরাসরি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ডিসি) বা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করুন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে মাত্র ৭ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে জমি দখলমুক্ত করে আপনাকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে!
✅ দখলস্বত্ব আইন বাতিল: আগে কেউ একটানা ১২ বছর জমি দখল করে রাখলে মালিকানার দাবি করতে পারত (Adverse Possession)। নতুন আইনে এই ফালতু সুযোগ চিরতরে বাতিল! বৈধ দলিল ছাড়া এক যুগ কেন, একশ বছর দখলে রাখলেও জমি তার হবে না।
✅ কঠোর শাস্তি: জোরপূর্বক জমি দখল করলে ২ বছরের জেল। ভুয়া দলিল বানালে ৭ বছরের জেল! আর একই জমি দুইজনের কাছে বিক্রি করলে তা হবে জামিন অযোগ্য অপরাধ (৫ বছরের জেল)।
✅ অফিসারদেরও শাস্তি: ভূমি অফিসের কোনো কর্মকর্তা জালিয়াতিতে সাহায্য করলে তাকেও জেলে ঢোকানো হবে।

সতর্কতা: এই আইনের সুবিধা পেতে আপনার জমির মূল দলিল এবং হালনাগাদ খতিয়ান (নামজারি) অবশ্যই সঠিক থাকতে হবে।

এই আইনটি বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল।

আপনার বা আপনার পরিচিত কারও কি জমি নিয়ে এমন কোনো জালিয়াতির শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে?

Summary:
The era of land grabbing in Bangladesh is over with the strict implementation of the 'Land Crime Prevention and Remedy Act, 2023.' Known as 'Deed owner is the Land owner,' this revolutionary law abolishes the 12-year adverse possession rule and empowers District Commissioners (DC) via mobile courts to recover grabbed land within 7 to 90 days. Punishments include up to 7 years in jail for forgery and making double sales a non-bailable offense.

12/04/2026

সব জমির দাম কি বাড়ে?
২০২৪ সালে পূর্বাচলে যে সকল প্লটের দাম ছিলো ২ কোটি ৩০ লাখ +/- বর্তমানে ওই সকল প্লটের দাম ২ কোটি ১০ লাখ +/- । দুই বছরে কমে গেলো ২০ লাখ! ২ বছরে টাকার ভ্যালুয়েশন কমেছে ১৮-২০%। সাথে জমি রেজিস্ট্রি খরচ তো আছেই। দুই বছরে তার লস হল ২০ লাখ+২০ লাখ+ জমি রেজিস্ট্রি খরচ।
সাধারণত জমি যে ধরনের হয়
১. কিছু জমি আছে দাম পারলে দিনে দিনে কমে।
২. কিছু জমি আছে দাম একই থাকে।
৩. কিছু জমি আছে দাম মুদ্রাস্ফীতির সাথে বাড়ে ৮-১০%।
৪. কিছু জমি আছে দাম প্রতিবছর ১৫-২০-২৫% করে বাড়ে। এ ধরনের জমি কিনতে পারলে ভালো।
৫. আবার কিছু জমি আছে হঠাৎ করে দাম বেড়ে যায়। কোন রাস্তা হলে, বা আশেপাশে কোন প্রতিষ্ঠান হলে এরকম হয় সাধারণত। এ ধরনের জমি কিনতে পারলে খুবই ভালো। এগুলোর দাম এক লাফে বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

২০১৬-১৭ সালের দিকে আমাদের এলাকায় ১ কাঠা জমির দাম ছিল ৮০ হাজার টাকা। হঠাৎ করে জমির দাম পড়ে হয়ে যায় ৪০ হাজার। এখন বর্তমানে ৬০-৬৫ হাজারের মধ্যে আছে। তাহলে বলুন যারা ওই সময় জমি কিনেছিলো তাদের কি পরিমাণ লস হয়েছে?

12/04/2026

সিএস জরিপেরও আগে হওয়া এই উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক জরিপ- #থাকবাস্ত জরিপের একটি নকশা ।

এটি আমাদের পরিচিত দাগ চিহ্নিত কোনো জরিপের মতো জরিপ নয়। এটি মূলত সীমানা নির্ধারণকারী মৌজাভিত্তিক জরিপ। 'থাক’ ফারসি শব্দ, এর অর্থ সীমানা নির্দেশক স্তম্ভ।

একসময় একটি এলাকার সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিষয় যেমন- বড়ধরনের গাছ, জঙ্গল, নদী-নালা, রাস্তা, কুয়া, বড় কোনো দালানকোঠা ইত্যাদি ব্যবহৃত হতো। অতীতে জনসংখ্যা কম হওয়ায় এবং মানুষ ও জমির অনুপাত অনুকূলে থাকায় জমিজমা নিয়ে তেমন বিরোধের কারণও ছিলো না, তাই এ ধরনের পদ্ধতি ভালভাবেই কাজ করছিলো। কিন্তু কালানুক্রমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে ভূমিসংক্রান্ত বিরোধও বাড়তে থাকে। ফলে বিধিসম্মত কোনো সীমানা না থাকায় এক এলাকার জমিদারের সাথে পাশ্ববর্তী জমিদারদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধের সৃষ্টি ও মামলা-মোকদ্দমার সংখ্যা বাড়তে থাকে। তাই এসমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য ১৮৪৫ থেকে ১৮৭৭ সাল পর্যন্ত থাকবাস্ত জরিপ কার্য পরিচালনার মাধ্যমে জমিদারী এলাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়। এ জরিপে ভূ-সম্পত্তি ও গ্রামগুলোর সীমানা পৃথককরণের মাধ্যমে সর্বপ্রথম বিজ্ঞানসম্মতভাবে চিহ্নিত করা হয়।
মৌজা ছিল থাক-জরিপের একক। জরিপকৃত কোনো কোনো জেলার প্রতিটি গ্রামের একটি খসড়া ভূচিত্র তৈরি করে তাতে গ্রামের জমিদারি, বসতবাটি, মাঠ, উৎপাদিত শস্য, জনসংখ্যা এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলি চিহ্নিত করা হয়। নির্দেশক হিসেবে প্রতিটি গ্রামকেই একটি থাক-নম্বর দেওয়া হয়। থাক জরিপে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী রাজস্ব জরিপ পরিচালিত হয়।

-----

#ভূমি_ইতিহাস_সিরিজ
#ভূমি_সমাধান #জমি #ইতিহাস

18/12/2025
03/11/2025

ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই পরিপত্রে বলা হয়েছে,

সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে যখন এলটি (LT) নোটিশ আসে — অর্থাৎ, কেউ রেজিস্ট্রির মাধ্যমে জমি ক্রয় বা হস্তান্তর করলে সেই তথ্য ভূমি অফিসে পাঠানো হয় —
তখন দেখা যায়, অনেক সময় নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ হয় না। এতে সাধারণ মানুষ তাদের জমির নামজারি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়, যা ঠিক নয়।

তাই সরকার নির্দেশ দিয়েছে যে —
সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে এলটি নোটিশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অবশ্যই নামজারি মামলা রুজু করবেন, এবং নিয়ম মেনে অল্প সময়ের মধ্যে নামজারি সম্পন্ন করবেন। সরকার এর উচিত ভূমি অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস একীভূত করা যাতে দলিল রেজিষ্ট্রি হওয়ার সাথে সাথে নামজারি হয়ে যায়। এই সব কাজ না করে দলিল অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করুন এবং সাথে সাথে অনলাইনে অটোমেটিক নামজারি করুন। নামজারির খরচ দলিল রেজিষ্ট্রির খরচ এর সাথে নিয়ে নেন।এতে করে মানুষ হয়রানি থেকে বাঁচব।
শেয়ার করে সবাই আওয়াজ তুলুন দলিল হবে অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন সাথে সাথে নামজারি হয়ে যাবে অটোমেটিক।
#নামজারি #দলিল #দখল

08/09/2025

আলহামদুলিল্লাহ

31/07/2025

সারাদেশে ১০২ জন এসিল্যান্ড প্রত্যাহার !

24/05/2025

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি

শেষ কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।

Photos from Savar Land survey.com's post 23/05/2025

ইং শা আল্লাহ এখন থেকে জমি পরিমাপের জন্যে সীমানা নির্ধারনে আর জটিলতা থাকবেনা।সরাসরি লাইভ লোকেশনের মাধ্যমে সঠিক ও নির্ভুলভাবে জমির সীমানা পয়েন্ট নির্ধারন করা যাবে।

জমি সংক্রান্ত যে-কোন সমস্যায় সাভার ল্যান্ড সার্ভে টিম রয়েছে আপনাদের পাশে

যোগাযোগ 01835-645132

15/05/2025

বিজ্ঞাপন দিয়ে যারা জেলা ও থানার নকশা বিক্রি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবে, নির্দেশনায় ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Nawabganj
Dhaka
1320