16/06/2026
পরিকল্পনা করছেন কক্সবাজার বা সিলেটে যাওয়ার? কিন্তু গাড়ি ঠিক করার ঝামেলা পোহাতে চাচ্ছেন না? 😰💥
আপনার ভ্রমণের আনন্দটা যেন মাটি না হয়, সে জন্যই মা রেন্ট-এ-কার প্রাইভেট সার্ভিস আপনাদের দিচ্ছে সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং আরামদায়ক ভ্রমণের নিশ্চয়তা।
আমরা শুধুমাত্র গাড়ি ভাড়া দেই না, আমরা আপনাকে আপনার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব নেই। 🤝
ভ্রমণকে আরও সহজ করতে আমরা দিচ্ছি:
✨ কক্সবাজার, সিলেট, রাঙ্গামাটি ও কুয়াকাটার মতো জনপ্রিয় পর্যটন স্থানগুলোতে প্রিমিয়াম কার সার্ভিস।
✨ ২৪/৭ সেবার নিশ্চয়তা।
✨ নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছানোর অঙ্গীকার।
✨ অভিজ্ঞ ড্রাইভার যা আপনাকে পুরো রাস্তায় রাখবে টেনশনমুক্ত।
এখনই বুক করুন এবং আপনার পরবর্তী ট্রিপকে করুন স্মরণীয়!
👉 বুকিং এর জন্য কল করুন: 01621-182507, 01748-352570
💌 আমাদের ইনবক্স করুন।
Visit: maarentacar.com
ভ্রমণ হোক আনন্দের, ভ্রমণ হোক নিরাপদ।
#মা_রেন্ট_এ_কার
13/06/2026
গাড়ি বুকিংয়ের টেনশন শেষ! ভ্রমণ হোক এবার একদম টপ-ক্লাস! 👑✨
ছুটি কাটাতে পরিবার নিয়ে ঢাকার বাইরে যাবেন? নাকি অফিসের কোনো জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি খুঁজছেন? ড্রাইভারের আচরণ ঠিক থাকবে তো? গাড়ি মাঝপথে নষ্ট হবে না তো?
এই সব চিন্তা দূর করতে আপনার পাশে আছে মা রেন্ট-এ-কার প্রাইভেট সার্ভিস ! আমাদের প্রতিটি গাড়ি যেমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, তেমনি আমাদের চালকরা অত্যন্ত দক্ষ ও পেশাদার। কারণ আপনার নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছানোর অঙ্গীকার আমাদের! 🤝
📞 সিট বেল্ট বাঁধুন, বুকিং করুন এখনই!
দেরি না করে আপনার পছন্দের গাড়িটি আজই বুকিং করতে সরাসরি কল করুন বা ইনবক্স করুন।
হটলাইন: 📱 01621-182509, 01748-352570
কো-ফাউন্ডার: রফিকুল ইসলাম (রফিক) । কামাল হোসেন
ঠিকানা: ৩/২৬/১ মুরাদ মার্কেট, হাশেম খান রোড, রায়ের বাজার, ঢাকা।
#মা_রেন্ট_এ_কার
18/05/2026
পবিত্র ঈদ ঈদুল আযহা উপলক্ষে মা রেন্ট-এ-কার প্রাইভেট সার্ভিস এ চলছে প্রি-বুকিং। আপনাদের যাত্রাকে নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে এখনই বুকিং করে ফেলুন আপনার পছন্দের যানবাহন। যেকোনো তথ্য জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন আমাদের ফেইসবুক পেজ অথবা 016211-82509, 01748-352570 এই নাম্বার এ।
30/07/2025
🎉 Just completed level 3 and I'm so excited to continue growing as a creator on Facebook!
30/03/2025
ঈদ মোবারক।।।
ঈদ মুসলিম বিশ্বের এক অতি আনন্দময়, পবিত্র এবং মর্যাদাপূর্ণ উৎসব। ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। এই দিনে ধনী-গরিব, উঁচু-নিচুর সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে শামিল হয়। প্রতিটি প্রাণে ছড়িয়ে পড়ে খুশির আমেজ। ইসলামে দু’টি ঈদ রয়েছে, ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা। তন্মধ্যে ঈদুল ফিতর ইসলামের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা রমাদান মাসের শেষে পালন করা হয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর খুশির বার্তা নিয়ে হাজির হয় ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের উৎসব ইসলামের এক অনবদ্য দিক, যা হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই দিনটি মুসলমানদের জন্য আল্লাহ তা'য়ালার অশেষ করুণার এক বিশেষ মুহূর্ত। রমাদান শেষে ঈদুল ফিতেরের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে এক নতুন মুক্তির অনুভূতি জন্ম নেয়।
সকলের ঈদ আনন্দে কাটুক এই প্রত্যাশা রাখছি । আল্লাহ হাফেজ।।।
20/02/2025
।।। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতিসত্তা ও ভাষাভিত্তিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষাসহ সকল সংগ্রাম ও আন্দোলনের উৎস ও প্রেরণা। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক বাঙালির অমর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা হলে আমাদের সেই চেতনাই বিশ্বে প্রসারিত হয়। জাতিসংঘের ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, এ দিবস ‘১৯৫২ সালের একুশে ফ্রেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাংলাদেশের মানুষের অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের স্বীকৃতি’।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার বিষয়ে প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন কানাডাপ্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং কানাডার বহুভাষিক ও বহুজাতিক সংগঠন ‘মাতৃভাষা প্রেমিক গোষ্ঠী’। তৎকালীন সরকার ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৯ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় ঘোষণা করেন যে, পৃথিবীর বিকাশমান ও বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলির মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় গবেষণার জন্য ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তখন ১৫ মার্চ ২০০১ ঢাকার সেগুনবাগিচায় জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি এ আনান এ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও ক্ষুদ্র জাতিসমূহের ভাষা সংগ্রহ, সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং বাংলাসহ অন্যান্য ভাষা আন্দোলনের তথ্যসংগ্রহ ও গবেষণা এবং ইউনেস্কোর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে এ-সংক্রান্ত তথ্যাবলি পৌঁছে দেওয়া।
২০১০ সালের অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (আমাই) ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আইন ২০১০ অনুযায়ী সরকার প্রধান এ ইনস্টিটিউটের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। ইনস্টিটিউট পরিণত হয়েছে ইউনেস্কো-র ক্যাটেগরি-২ প্রতিষ্ঠানে। সময়ের অগ্রযাত্রায় ইনস্টিটিউট ক্রমান্বয়ে সমৃদ্ধ হচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস, সে-দিন খুব দূরে নয় যে, ইনস্টিটিউট বিশ্বের মাতৃভাষা গবেষণার অন্যতম অভিকেন্দ্রে রূপান্তরিত হবে।।।
-আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-
27/09/2024
হাতের নাগালেই গাড়ী ভাড়া
-24/7-
ঢাকা হইতে সমগ্র বাংলাদেশ
আমাদের অফিস:
ধানমন্ডি, রায়েরবাজার, ঢাকা ।।।
01621-182509
01748-253570
Send a message to learn more
08/08/2024
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন। সকল সমন্বয়কসহ যারা রাজপথে ছিলেন, নতুন একটি বাংলাদেশ উপহার দিলেন, সকলকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
প্রফেসর ইউনুস সম্পর্কে কিছু কথা...
( বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে মোটামুটি গত কয়েশ বছরে জন্ম নেওয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস। তিনি কত বড় মাপের ব্যক্তিত্ব সেটা বোঝার ক্ষমতাও ৯০ ভাগ বাঙ্গালীর নাই। বাঙ্গালীর আরো ৩০/৪০ বছর লাগবে প্রফেসর ইউনুস কোন মাপের মানুষ এটা বুঝতে।
নোবেল লরিয়েট প্রফেসর ইউনুসের একটা পরিচয়, সব না। পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানজনক তিনটা পুরস্কার হল:
১। নোবেল।
২। অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড।
৩। মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড।
ইতিহাসে এই তিনটা পুরস্কারই পেয়েছেন এমন মানুষ মাত্র ১২ জন। তার মধ্যে প্রফেসর ইউনুস একজন।
মেসি হলেন বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তারকার একজন, আক্ষরিক ভাবেই মেসি লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রফেসর ইউনুসের সাথে ছবি তুলতে।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হল আলিম্পক গেমস। ধনী দেশগুলো হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে অলিম্পিকের হোস্ট হতে। আলিম্পক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন (প্রধান অতিথি) আলিম্পক মশাল বাহক। ২০২০ সালের জাপান আলিম্পকের মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ইউনুস। ভাবা যায়!?
২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের মূল থিম করা হয়েছে প্রফেসর ইউনুসের সামাজিক ব্যবসা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে। ফ্রেঞ্চদের মত নাকউঁচু জাতির গর্বের অলিম্পিক গেমসের ওয়েবসাইটের টাইটেল পেজে একজন ব্রাউন মুসলমান ড. ইউনুসের ছবি!! ফ্রেঞ্চদের সম্পর্কে যারা টুকটাক খবর রাখেন তারা বুঝবেন ব্যাপারটা কতটা আনইউজুয়াল।
প্রফেসর ইউনুসের ব্রেইন চাইল্ড ক্ষুদ্র ঋন, সামাজিক ব্যবসা, এবং থ্রি জিরো, এই তিনটি তত্ত্বই গ্লোবাল কমিউনিটি গ্রহন করেছে। এই তিনটা তত্ত্বের তিনটাই যে খুব ভাল, আমি এমনটা মনে করি না। যেকোন সুদ ভিত্তিক পদ্ধতি ভাল হতে পারে না। তবে পয়েন্ট হল সারাবিশ্ব এটাকে গ্রহন করেছে। সামাজিক ব্যবসা এবং থ্রি জিরো— এই দুইটা খুবই জনহিতকর তত্ত্ব, এটা নিয়ে বিতর্ক নেই।
বর্তমানে জীবিত লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোন তালিকাতে প্রফেসর ইউনুস টপ ৫ এর মধ্যে থাকবেন। অনেকে তাকে ১ নম্বরে রাখবে। একজন বাঙ্গালী মুসলমান দুনিয়ার লিডিং স্কলার, এটা ইতিহাসে কখনো ঘটে নাই। আবার কবে হবে কেউ জানে না।
© অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা "মা রেন্ট-এ -প্রাইভেট সার্ভিস" এর পক্ষ হইতে আপনাকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।।মহান আল্লাহ তাআলা আপনাকে দীর্ঘজীব করুন। আমিন।