16/06/2026
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনাদের প্রিয় বই 'আকাশের ওপারে আকাশ' আবারো স্টকে চলে এসেছে, আলহামদুলিল্লাহ! অনেক ভাইবোনই অনেক অনেক অপেক্ষায় কাটিয়েছেন এই বইটার জন্য। প্রেসের কিছু সমস্যার কারণে এতোদিন আমরা তাদেরকে এই সুখবরটা দিতে পারিনি। আল্লাহর রহমতে বইটা অবশেষে চলেই এলো।
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
15/06/2026
#আড্ডা_পোস্ট
বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় লেখক সাদাত হোসাইন। তার দুইটা বই আমি পড়েছি। সাদাত হোসাইনের লেখা যেন এক একটি জীবনের গল্প বলে, যা খুব সহজেই পাঠককে নিজের গভীরে নিয়ে যায়। তার লেখনীর সেই মুগ্ধতা যারা অনুভব করতে চান, তাদের জন্য কোন বইটি দিয়ে শুরু করা উচিত? আপনারা যারা ইতিমধ্যে তার লেখা পড়েছেন, নতুনদের জন্য আপনার পছন্দের সেরা বই কোনটি হবে? সাদাত হোসাইনের কোন বইটি পড়া আমার জন্য মিস করা উচিত হবে না? কমেন্টে আপনাদের মূল্যবান মতামত বা প্রিয় বইয়ের নাম সাজেস্ট করে আমাকে সাহায্য করুন।
লিখেছেন :অপূর্ব
15/06/2026
Big shout out to my newest top fans! 💎 Arfatun Binte Kalam, অবনীল কাব্য কথা
Drop a comment to welcome them to our community,
15/06/2026
মাইলের পর মাইল জুড়ে ধূলিঝড়, যেখানে মানুষ চোখ মেলতে ভয় পায়—সেখানে উট চোখের পাতা বন্ধ রেখেই সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পায়! কীভাবে?
মরুভূমির জীবন কতটা কঠিন, তা আমরা এসি রুমে বসে কল্পনাও করতে পারব না। একদিকে মাথার ওপর আগুনের মতো তপ্ত সূর্য, পায়ের তলায় ফুটন্ত বালুর সমুদ্র। আর এর চেয়েও ভয়ংকর হলো মরুভূমির ‘ধূলিঝড়’। যখন এই ঝড় ওঠে, তখন বাতাসের সাথে কোটি কোটি ধারালো বালুর কণা বুলেটের গতিতে ধেয়ে আসে। মানুষের চামড়ায় লাগলে তা ছিলে যায়, আর চোখে এক ফোঁটা ঢুকলে অন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়।
কিন্তু এই চরম প্রতিকূল পরিবেশেও একটি প্রাণি বছরের পর বছর ধরে বুক ফুলিয়ে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছে। বিজ্ঞান তাকে বলে ‘মরুভূমির জাহাজ’—আমাদের অতি পরিচিত উট।
কখনো ভেবেছেন, মরুভূমির এই তীব্র বালিঝড়ের মধ্যে উট কীভাবে মাইলের পর মাইল হেঁটে চলে? তার চোখে কি বালি ঢোকে না? সে কি অন্ধ হয়ে যায় না?
এখানেই লুকিয়ে আছে প্রকৃতির আল্লহা তাআলার অলৌকিক নকশা, সৃষ্টির এক সুনিপুণ মেকানিজম।
উটের চোখকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা মানুষের তৈরি যেকোনো আধুনিক সেফটি চশমাকেও হার মানায়। মানুষের চোখে চোখের পাতা থাকে মাত্র দুটি। কিন্তু উটের চোখে স্পেশাল তিনটি চোখের পাতা (Three eyelids) দেওয়া হয়েছে!
এর মধ্যে দুটি পাতায় রয়েছে লম্বা ও ঘন পাপড়ি, যা জালের মতো কাজ করে বালুকে আটকে দেয়। আর তিন নম্বর পাতাটি হলো পরম বিস্ময়। এটি মূলত একটি পাতলা, স্বচ্ছ পর্দা (Nictitating membrane)।
যখন মরুভূমিতে তীব্র ঝড় শুরু হয়, উট তখন তার এই তিন নম্বর স্বচ্ছ পাতাটি বন্ধ করে দেয়। পর্দাটি কাচের মতো স্বচ্ছ হওয়ায় পাতা বন্ধ থাকা অবস্থাতেও উট সামনে সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পায়! কিন্তু বাইরের একটি বালুর কণাও তার চোখের ভেতর ঢুকতে পারে না। ঝড়ের মধ্যেও সে অনায়াসে পথ চলে, যেন সে চোখে কোনো অদৃশ্য উইন্ডশিল্ড বা চশমা পরে আছে!
শুধু কি চোখ? উটের নাকের ফুটো দুটোও প্লাস্টিকের জিপলক ব্যাগের মতো। সে চাইলে নিজের ইচ্ছায় নাক পুরোপুরি লক বা বন্ধ করে দিতে পারে, যাতে শ্বাসের সাথে ফুসফুসে বালি না ঢোকে। আর তার পায়ের নিচে দেওয়া আছে চওড়া, নরম কুশনের মতো চামড়ার প্যাড, যা ফুটন্ত বালির তাপেও পুড়ে যায় না বা বালিতে দেবে যায় না।
পৃথিবীর কোনো শক্তি কি মরুভূমির ওই জনমানবহীন প্রান্তরে উটকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য এই নিখুঁত চশমা, এই বিশেষ জুতো আর এই অভিনব ফিল্টার তৈরি করে দিতে পারে? বা উট কি নিজেই এটা তৈরি করতে পারে? কখনোই না! এই মহাজাগতিক নিখুঁত ডিজাইন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মহাবিশ্বের প্রতিটি সৃষ্টির পেছনে রয়েছে পরম বুদ্ধিমত্তা ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা।
সৃষ্টির এই অবিশ্বাস্য ব্যাকরণ আর গভীর বিজ্ঞান আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—জ্ঞানার্জনের কোনো বিকল্প নেই। চারপাশের এই জটিল মেকানিজমকে জানতে হলে আগে পড়তে হবে, চোখ মেলে তাকাতে হবে।
জানার দিগন্তকে আরও প্রসারিত করতে এবং সৃষ্টির গভীরতম কোডগুলো উন্মোচন করতে আমাদের বিশেষ আয়োজন ‘পড়ো’ সিরিজ। বিজ্ঞান ও যুক্তির আলোয় চোখ মেলে চারপাশকে নতুন করে আবিষ্কার করতে, এবং বর্তমান সময়ের নানা সমস্যা ও তার কুরআনিক ব্যাখ্যা জানতে—আজই সংগ্রহ করুন সমকালীন প্রকাশনের ‘পড়ো’ সিরিজটি।
15/06/2026
📖 দ্য ইনভিজিবল ম্যান — এইচ. জি. ওয়েলস
⭐ রেটিং: ৯/১০
বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস "দ্য ইনভিজিবল ম্যান"। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন বিজ্ঞানী গ্রিফিন, যিনি এমন একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন যার মাধ্যমে নিজেকে অদৃশ্য করতে সক্ষম হন। কিন্তু অদৃশ্য হওয়ার এই অসাধারণ ক্ষমতা ধীরে ধীরে তাকে একাকী, স্বার্থপর ও বিপজ্জনক মানুষে পরিণত করে।
বইটিতে বিজ্ঞান, রহস্য, রোমাঞ্চ এবং মানুষের ক্ষমতার অপব্যবহারের পরিণতি অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠককে কৌতূহলী ও উত্তেজিত রাখে।
কেন পড়বেন? ✅ দারুণ সায়েন্স ফিকশন
✅ রহস্য ও থ্রিলে ভরপুর
✅ মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীর বিশ্লেষণ
✅ সহজ কিন্তু আকর্ষণীয় ভাষা
সংক্ষিপ্ত মতামত:
"অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা কি সত্যিই আশীর্বাদ, নাকি অভিশাপ? এই প্রশ্নের অসাধারণ উত্তর খুঁজে পাবেন দ্য ইনভিজিবল ম্যান বইটিতে।" 📚✨
বইটি সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন: হরেকমারি — 01850-192446
15/06/2026
ইসলামে পারিবারিক জীবন
প্রফেসর খুরশিদ আহমদ
অনুবাদ : মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৪৮
মুদ্রিত মূল্য : ৮০ ৳
বই সম্পর্কে :
ইসলাম পরিবার গঠন, পরিবারের মজবুত বন্ধন ও সুষ্ঠু বিকাশের ওপর অত্যধিক গুরুত্বারোপ করেছে। ‘পরিবার’-কে কেন্দ্র করে ইসলাম অনেক বিস্তৃত ও বিষদ বক্তব্য দিয়েছে। সে বক্তব্যগুলোর একটি সারনির্যাস এ পুস্তিকায় পেশ করেছেন বিশিষ্ট গবেষক প্রফেসর খুরশিদ আহমদ।
‘পরিবার’ সবচেয়ে ছোটো প্রতিষ্ঠান, কিন্তু এটিই মানবসভ্যতার মূল ভিত্তি। মানুষের প্রয়োজন পূরণ ও প্রশান্তির মৌলিক অবলম্বন পরিবারই। আবার অন্য দিক থেকে মানুষ পরিবারের জন্যই নিজের জীবনকে যাপন করে এবং ত্যাগ স্বীকার করে। ছোটো অথচ মৌলিক এই প্রতিষ্ঠানটির সুন্দর পরিগঠনের ওপর নির্ভর করে মানবসমাজের সৌন্দর্য ও সুষ্ঠু বিকাশ।
পরিবার গঠনের মৌলিক নীতিমালা, পরিবারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পারিবারিক আইন বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বইটির পাঠে। পাশাপাশি বইটিতে উদ্ভাসিত হয়েছে পরিবারের রুহানি ও দার্শনিক ভিত্তিও।
15/06/2026
হুমায়ূন আহমেদের কোন বইটি আপনার সবচেয়ে প্রিয়?
15/06/2026
আপনার পছন্দের বই,হাতের নাগালেই!
15/06/2026
আমরা সাধারণত মনে করি, বাজারে আসা প্রতিটি ওষুধ শতভাগ নিরাপদ। কারণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের FDA (Food and Drug Administration)-এর মতো শক্তিশালী সংস্থা সেগুলোর অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু পর্দার আড়ালে কি আসলেই সব স্বচ্ছ? ড. পল স্টোলির অভিজ্ঞতায় বেরিয়ে এসেছে এক ভয়াবহ চিত্র।
১. 'অফিসিয়ালি' প্রভাবিত এফডিএ
ড. পল স্টোলি যখন এফডিএ-তে যোগ দেন, তিনি অবাক হয়ে লক্ষ্য করেন—সংস্থাটির ওষুধ যাচাইয়ের বাজেটের অর্ধেকই আসে সরাসরি ওষুধ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে! প্রশ্ন ওঠে, যারা বেতন দিচ্ছে, তাদের কি চটানো সম্ভব? প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর ভয়ে আজ এফডিএ যেন একটি ভীতু সংস্থায় পরিণত হয়েছে।
ভয়ংকর উদাহরণ—লট্রোনেক্স (Lotronex):
লট্রোনেক্স নামের ওষুধটি বাজারে আসার পর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও এফডিএ শুরুতে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এক সরকারি কমিটির বৈঠকে দেখা গেল, ওষুধ কোম্পানির (জিএসকে) কর্মকর্তারা সরকারি বিজ্ঞানীদের গবেষণাকে সরাসরি আক্রমণ করছেন, আর এফডিএ-র শীর্ষ কর্মকর্তারা দর্শকের ভূমিকায় নির্বাক!
২. গবেষণাপত্রেও কারসাজি?
একটি ওষুধের অনুমোদনের ভিত্তি হওয়া উচিত নিরপেক্ষ বিজ্ঞান। কিন্তু লট্রোনেক্সের ক্ষেত্রে ঘটেছে উল্টোটা। বিখ্যাত মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেট-এ প্রকাশিত গবেষণাপত্রটির ছয়জন লেখকের মধ্যে পাঁচজনই ছিলেন ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানির কর্মচারী! অর্থাৎ, যারা ওষুধটি তৈরি করেছে, তারাই এর কার্যকারিতার সার্টিফিকেট দিয়েছে।
পাবলিক সিটিজেনের গোপন নথি:
‘পাবলিক সিটিজেন’-এর উদ্ধার করা এফডিএ-র গোপন নথি থেকে জানা যায়:
ওষুধটি সাধারণ প্লাসিবোর (Placebo) চেয়ে খুব একটা কার্যকর ছিল না।
উল্টোদিকে, এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছিল প্রাণঘাতী।
ওষুধটি বাজারে আসার মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এতকিছুর পরও এফডিএ দীর্ঘ সময় ধরে ওষুধটি বাজার থেকে সরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।
কেন এটি আমাদের জন্য সতর্কবার্তা?
আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ওপর যে আস্থা আমরা রাখি, সেই আস্থা আজ সংকটে। যখন ওষুধের ব্যবসা মানুষের জীবনের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন বিজ্ঞান পরাজিত হয়।
প্রকাশিতব্য মেডিকেল মাফিয়া বই থেকে...
14/06/2026
দিনাজপুর শহরে যেকোন বই ফ্রী হোম ডেলিভারিতে পেতে লাইক ও ফলো করুন এখনই।বই অর্ডার করতে মেসেজ করুন!